পঞ্চান্ন বছরের ইকবাল সাহেব

image_pdf

পঞ্চান্ন বছরের ইকবাল সাহেবকে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছিল চব্বিশ বছরের নিশুতি৷ নিশুতির শাড়ির আঁচলখানা টেনে ধরলেন তিনি৷
‘দাঁড়াও, আমার সাথে তুমি এমন ব্যবহার কেন কর?’
‘কেমন ব্যবহার করি?’
‘কথা বলো না, কেমন এড়িয়ে চল৷’

‘তো আপনি আমার থেকে কি আশা করেন? ওগো শুনছো, ভালোবাসাবাসি রোমান্স এসব করব?’
‘স্বামী হিসেবে তোমার থেকে এটা আশা করাটা কী আমার ভুল?’
‘ভুল নয় অন্যায়৷ আপনি আমার সাথে আর কত অন্যায় করতে চান? আমাকে বিয়ে করেছেন৷ আচ্ছা বলেন আপনি আমার যোগ্য? আপনি আমার বাবার বয়সী৷ আপনার মত একটা মানুষের সাথে আমার বিয়ে হওয়াটা কি স্বাভাবিক?’
‘স্বাভাবিক নয় কিন্তু এ বিয়ের বিষয়ে আমি তো তোমাকে জোর করিনি কিংবা তোমার মা বাবাকেও নয়৷ তারা ও তুমি স্বেচ্ছায় রাজি হয়েছো বিধায় বিয়ে করেছি৷ এখানে আমার দোষটা কোথায় বলতে পারো নিশু?’
‘মা বাবা রাজি হয়েছে আপনার টাকা দেখে আর আমি কখনোই রাজি হইনি৷ আমাকে তারা জোর করে বিয়ে দিয়েছে৷ ইনফ্যাক্ট বিয়ের দিন আমার প্রেমিকের আমাকে এসে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু সে আসেনি বলেই আমি আপনাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি৷’
‘সে আসলে তো তুমি তার সাথেই চলে যেতে৷ সে না আসার কারণে আমাকে তোমার বিয়ে করতে হয়েছে এখানেও তো আমি দোষী নই৷ আর তুমি কাউকে ভালোবাস তা তো বিয়ের আগে আমাকে জানাতে পারতে৷’
‘মা-বাবা আমাকে জানানোর সুযোগ দেয়নি৷’
‘বাহ্ দোষ করল অন্যরা আর শাস্তি পাচ্ছি আমি?’
‘আপনিই বা কেন বুড়ো বয়সে আমার মত একটা মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন?’
‘আমি বিয়ের জন্য বিধবাই খুঁজছিলাম কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছে হয়ত ভিন্ন ছিল তাই তোমার সাথেই আমার বিয়েটা হল৷ তা তোমার প্রেমিক তোমাকে কেন নিতে আসল না?’
‘জানিনা৷ জেনেই বা এখন কি লাভ হবে? আমার তো বিয়ে হয়েই গেছে৷ আপনি তো আর আমাকে ওর কাছে যেতে দিবেন না৷’
রকিং চেয়ারে বসে সিগারেট টানতে টানতে ইকবাল সাহেব বললেন—
‘যদি যেতে দেই তুমি যাবে?’
কিছু না বলে তাকিয়ে রইল নিশুতি৷
‘কী হল? যাবে?’
‘আমি তো সেদিনের পর আর ওর সাথে যোগাযোগ করিনি৷’
‘তাহলে যোগাযোগ কর৷ আমি তোমাকে মুক্ত করে দিলাম৷ ভালোবাসাবিহীন শুধু কাগজের সম্পর্কটাকে বাঁচিয়ে রাখার কোন প্রয়োজন নেই৷’
ভ্রু কুচকে ইকবালের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল নিশুতি৷ কথাগুলো বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না৷
‘সত্যি বলছেন? পরে আবার ঝামেলা করবেন না তো?’
‘আমার উপর শতভাগ বিশ্বাস রাখতে পার তুমি৷ যাও তোমার প্রেমিকের সাথে কথা বলে দেখ৷’
নিশুতি চায়ের কাপ নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল৷
“লোকটা কী বলছে এসব? সত্যি তো? তাহলে কি নাফিজের সাথে আমি কথা বলব? কিন্তু কেন বলব? ও জানত আমার বিয়ে, তারপরও আমাকে নিতে এল না৷ ও যদি আমাকে ঠকানোর জন্য এমন করে? কোন বিপদও তো হতে পারে৷ লোকটা যেহেতু সুযোগ দিচ্ছে কথা বলে দেখি৷”
ফোন করল নাফিজকে৷
‘হ্যালো৷ কে বলছেন?’
‘নিশু বলছি৷ কেমন আছো তুমি?’
‘নিশু তুমি? আমি তোমার নম্বরে কল দিয়েছিলাম কিন্তু বন্ধ পেয়েছি৷ তোমাদের বাসায় গিয়ে শুনি তুমি স্বামীর সাথে চলে গেছ৷ কেউ তোমার বাসার ঠিকানা কিংবা নম্বর কিছুই দেয়নি আমাকে৷’
‘তোমার কথাগুলো কেন বিশ্বাস করব আমি? তুমি যদি সেদিন সঠিক সময়ে আসতে তাহলে আমার বিয়েটাই হত না৷ আজ যা হয়েছে সব তোমার জন্য৷’
‘জানি আমি৷ কিন্তু সেদিন এমন একটা বিপদে পড়েছিলাম যে আমি যেতে পারিনি৷ বিপদ তো আর সময় বুঝে আসে না৷’
‘হয়েছে আর নাটক করতে হবে না৷’
‘বিশ্বাস করো আমি নাটক করছি না৷ সেদিন আমার বোনের এক্সিডেন্ট হয়েছিল৷ জীবন মরণ অবস্থা ছিল৷ এ অবস্থায় ওকে আর মাকে রেখে আমি কিভাবে বিয়ে করতে যেতাম? তুমি হলে পারতে?’
একটা দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে বলল—
‘না৷ এখন তোমার বোন কেমন আছে?’
‘আছে আগের চেয়ে ভালো৷ তোমার স্বামী তোমার সাথে কোন জোর জবরদস্তি করেনি তো?’
‘বিয়ের পর তুমি এসব জিজ্ঞেস করো কোন অধিকারে? তিনি আমার স্বামী৷ তিনি ইচ্ছে করলেই…’
‘তার মানে তুমি তাকে স্বামী হিসেবে মেনে নিয়েছো? তাহলে আমাকে কেন ফোন করলে?’
‘না, মানিনি৷ তার সাথে আমার স্বামী স্ত্রীর কোন সম্পর্ক হয়নি৷ তাকে আমি তোমার কথা বলেছি৷ তিনি বলেছেন আমি তোমার সাথে গেলে তার কোন আপত্তি নেই৷’
‘কী? এত সহজে মেনে নিল? নিশ্চয়ই কোন বদ মতলব আছে শালার৷ তুমি ওর কথায় একদম বিশ্বাস করবে না৷ আমি যা বলছি শোন তোমার গয়নাগাটি যা আছে সেগুলো গুছিয়ে রেখ৷ আমি একটা ঠিকানা দেব সেখানে পরশু এসে পড়বে৷ আমরা বিয়ে করে সংসার করব৷ ঠিক আছে?’
‘আমার বিয়ের পরও তুমি আমায় নিতে চাও?’
‘বিয়ে হয়েছে তো কি হয়েছে? তুমি তাড়াতাড়ি এসে পড়৷ আমি চাইনা তুমি ঐ লোকটার সাথে থাকো৷ একটা কথা বলব?’
‘বলো৷’

 

‘লোকটা তো অনেক বড়লোক৷ তোমাকে অনেক গয়না দিয়েছে তাই না?’
‘হ্যাঁ৷ কেন?’
‘আরে গয়নাগুলো সব নিয়ে এস৷ ওগুলো তো তোমারই৷ আমাদের ভবিষ্যতে ওগুলো কাজে লাগবে৷’
‘দেখা যাক৷ তাছাড়া ওনার জিনিস আমি নেব কেন? তুমি যেমন করে রাখবে আমি তাতেই খুশি৷’
‘আরে এত নীতিবাক্য বলো না তো৷ নিয়ে এস সব৷ রাখছি এখন৷’
‘কথা বলল তোমার প্রেমিক?’
‘হ্যাঁ, আপনি এখানে কেন? আমাদের কথা শুনছিলেন?’
‘না৷ মাত্রই এলাম৷ তুমি কী তার কাছে যাচ্ছো?’
‘হ্যাঁ৷ পরশু যাব৷ আপনি যাবার সময় নাটক শুরু করবেন না তো?’
হাসতে হাসতে ইকবাল বলল—
‘বিশ্বাস হচ্ছে না তাই তো?
‘হ্যাঁ৷’
‘তুমি তো আমার বিবাহিতা স্ত্রী৷ কখনো তোমার উপর জোর করেছি?’
‘তা করেননি৷’
‘ইচ্ছে করলেই তো আমি স্বামীত্বের অধিকার ফলাতে পারতাম কিন্তু ফলাইনি তো? তাহলে? বিশ্বাস রাখো৷ নির্বিঘ্নে তুমি চলে যেও৷’
নিশুতি চাবি এনে দিল ইকবালের হাতে৷
‘এটা রাখুন৷ এখন থেকে নিজের জিনিস নিজে গুছিয়ে রাখবেন৷’
‘আচ্ছা৷’
বলেই অন্যরুমে গিয়ে সিগারেট ধরালো৷ ঘর গুছাতে এসে নিশুতি দেখল সিগারেট খেয়েই চলেছে৷
হাত থেকে সিগারেট নিয়ে বলল—
‘এত সিগারেট খাবেন না৷ বয়স হয়েছে৷ শরীরের দিকেও তাকাতে হয়৷ মিষ্টি কম খাবেন৷ সুগার নেই বলে যে হবে না এমন নয়৷ প্রতিদিন দুই বার হাঁটতে বেরুবেন৷ সপ্তাহে একবারের বেশি গরুর মাংস খাবেন না৷ এখন থেকে তো আর নিশু থাকবে না যে আপনাকে এগুলো বলে দেবে৷ নিজেই খেয়াল রাখবেন৷’
অন্যদিকে তাকিয়ে ইকবাল বলল—
‘তুমি তো চলেই যাবে৷ তাহলে আমাকে নিয়ে এত ভাবছ কেন? আমার ভালো মন্দে তোমার কী আসে যায়?’
‘আমার আবার কী আসে যাবে? মানুষ হিসেবে বলা দরকার তাই বললাম৷’
বলেই অন্য রুমে চলে গেল৷
পরদিন বিকেলে ইকবাল বাইরে বের হচ্ছে দেখে নিশুতি বলল—
‘কোথাও যাচ্ছেন?’
‘হ্যাঁ৷ এক বন্ধুর বাসায় দাওয়াত৷ রাতে ওখানেই খাব৷ ফিরতে রাতও হতে পারে তুমি খেয়ে ঘুমিয়ে যেও৷ আমি চাবি নিয়ে যাচ্ছি৷’
‘আগে তো বলেননি যে কোথাও যাবেন৷’
‘বলার প্রয়োজনবোধ করিনি৷’
একটা খাম হাতে দিয়ে বলল—
‘এটা রাখ৷ প্রয়োজনে ব্যবহার করবে৷’
‘কি আছে এতে?’
‘তোমার মোহরানার চেক৷ চেয়েছিলাম বাসর রাতে দেব৷ বাসর তো আর হলো না৷ তাই তোমার হক তোমাকে দিয়ে দিচ্ছি৷
‘এটা আমার লাগবে না৷’
‘তোমাকে তো জিজ্ঞেস করিনি লাগবে কিনা৷ আমি কারো কাছে ঋণী থাকি না৷ তাই ঋণ পরিশোধ করলাম৷’
বলেই বেরিয়ে গেল ইকবাল৷
বারান্দায় বসে চা খাচ্ছে আর ভাবছে

 

“আমাকে প্রেমিকের সাথে যেতে দিচ্ছে৷ নিজের বিয়ে করা বউকে৷ আজ পর্যন্ত জোর করেনি৷ যখন যেমন থাকতে চেয়েছি তেমন থাকতে দিয়েছে৷ এমনকি মোহরানার টাকাও দিয়ে দিল? এর চোখের সামনে দিয়ে আমি কিভাবে যাব?”
উঠেই পোশাক বদলে নিল৷ নাফিজকে ফোন করল কিন্তু নাফিজ রিসিভ করল না৷ একটা চিঠি লিখে কিছুই না নিয়ে বেরিয়ে গেল নিশুতি৷ যাওয়ার আগে একবার ফিরে চাইল বাসার দিকে তারপর ট্যাক্সি করে চলে গেল৷
নিশুকে দেখে নাফিজ অবাক৷
‘তুমি? আজ এসেছো কেন? তোমার তো কাল আসার কথা৷’
‘আজ উনি বাসায় ছিলেন না তাই এসে পড়লাম৷’
‘ওহ্ তোমার লাগেজ কোথায়? নিচে রেখে এসেছো?’
‘কিসের লাগেজ? আমি তো কোন লাগেজ আনিনি৷’
‘তোমাকে না বললাম সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে আসতে? গয়নাগুলোও আনোনি?
নাফিজকে জড়িয়ে ধরে বলল—
‘আমার গয়না চাইনা৷ আমি তোমার সাথেই সুখী থাকব৷’
ভিতর থেকে একটা মেয়ে এসে বলল—
‘এই মেয়ে তুমি নাফিজকে জড়িয়ে ধরেছো কেন? ছাড়৷’
‘নাফিজ এ মেয়েটা কে?’
নাফিজ নিশুতিকে ছাড়িয়ে বলল—
‘রাবিশ৷ তুমি টাকা-পয়সা, গয়না কিচ্ছু আনোনি? তোমাকে ধুয়ে ধুয়ে আমি পানি খাব?’
‘মানে?’
‘এ সামিরা আমি ওকে ভালোবাসি৷ তুমি চলে যাও৷ গেট লস্ট৷ আমি কোন ফকিরনিকে ভালোবাসি না৷ তাছাড়া আজ তুমি বিয়ে করা স্বামীকে ছেড়ে এসেছো কাল যে আমাকে ছেড়ে অন্য কারো কাছে যাবে না তার নিশ্চয়তা কী?’
‘তুমি এসব কী বলছো নাফিজ? তুমি আমাকে ভালোবাস না৷’
‘না৷ ভালবাসলে তো সেদিনই তোমাকে আনতে যেতাম৷ ভাবলাম বিয়ের পরে আরো বেশি টাকা পয়সা নিয়ে আসবে৷ তাই বিয়ের পরও সেদিন আসতে বললাম৷ আর আজ তুমি খালি হাতে এসেছো?’
‘তারমানে তুমি আমাকে ভালোই বাসোনি কখনও৷ জানো নাফিজ তোমার চেয়ে মনুষ্যত্বের বিচারে ইকবাল অনেক ভালো৷ অন্তত মিথ্যেবাদী প্রতারক নয়৷’
‘ত্যানাপ্যাচা কথা বাদ দিয়ে যাও এখান থেকে৷
নিশুতি দৌড়ে বেরিয়ে গেল৷
ইকবাল বেশ রাত করেই বাসায় ফিরল৷ ডাইনিং টেবিলের উপর একটা কাগজ গ্লাস দিয়ে চাপা দেয়া দেখে হাতে নিয়ে পড়তে লাগল—
ইকবাল সাহেব,
আপনাকে আমি যতই দেখেছি অবাক হয়েছি৷ নিজের স্ত্রীকে একবারও আটকানোর চেষ্টা করলেন না কিংবা অধিকারের কথাও বললেন না৷ অন্য কেউ হলে হয়ত এমন করত না৷ কিন্তু আমি দুঃখিত এরপরও বাকিটা জীবন আপনার সাথে কাটাতে পারলাম না৷ আপনাকে আমি ভালোবাসিনা কিন্তু একটা মায়া পড়ে গেছে৷ আপনার সামনে দিয়ে যেতে পারতাম না তাই আপনার অগোচরেই চলে গেলাম৷ আমাকে দেয়া চেকটা আপনার ড্রয়ারে আছে৷ আমি কিছুই নেইনি তবে আপনার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা আর শ্রদ্ধাবোধ রেখে গেলাম৷ আপনাদের ছেলে মেয়েরা দেশে ফিরলে বলবেন আমি তাদের ছোট মা হওয়ার যোগ্য নয়৷ নিজের খেয়াল রাখবেন৷ আল্লাহ্ হাফেজ৷
আপনার নিশু
চিঠিটা পড়ে নিশুতির রুমে গেলেন৷ তারা সবসময়ই আলাদা থাকতেন৷ আজ ইকবাল নিশুর রুমেই শুয়ে পড়ল৷
রাস্তায় হাঁটছে আর ভাবছে কোথায় যাবে? বাবা মায়ের কাছেও যেতে পারবে না৷ ইকবালের মন তো অনেক বড় নিশ্চয়ই কাজের লোক করে হলেও বাসায় রাখবে৷ এত রাতে বাইরে থাকাও নিরাপদ নয় ভেবে ট্যাক্সি করে বাসায় গেল৷ অনেকক্ষণ বেল বাজানোর পর ইকবাল দরজা খুললেন৷ নিশুতিকে দেখে চোখ কচলে নিলেন৷ ভেবেছিলেন ভুল দেখছেন৷ কিছুক্ষণ পর বললেন—
‘নিশু তুমি?’
‘আমাকে আপনার বাসায় কাজের লোক হয়ে থাকতে দেবেন?
কিছু বলতে গিয়ে থেমে গেলেন ইকবাল৷ বুঝে নিলেন নিশ্চয়ই ছেলেটা ওকে প্রত্যাখ্যান করেছে৷
‘বাইরে দাঁড়িয়ে আছো কেন ভিতরে এস৷’
নিশু চেয়ারে বসে কাঁদতে লাগল৷
ইকবাল চা বানিয়ে আনলেন৷ নিশুকে দিয়ে বললেন—
‘এটা খেয়ে ঘুমিয়ে পড়৷ আমি যাচ্ছি৷’
‘কিছু জিজ্ঞেস করবেন না৷’
‘ভুল করেছো তার শাস্তিও পেয়েছো৷ কী দরকার তোমার কষ্টটা বাড়ানোর? কাজের লোক নয় বউ ছিলে বউ হয়েই থাকবে৷’
মাথা নিচু করে নিশুতি বলল—
‘আমি কি আপনার ঘরে ঘুমোতে পারি?’
‘তুমি কি সেটা মন থেকে চাও?’
‘হ্যাঁ৷’
‘এসো৷ বাইরের পোশাক বদলে এসো আমি অপেক্ষা করছি৷’
#প্রত্যাবর্তন

Please Rate This Post
[Total: 3 Average: 4.3]

You may also like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *