পিচ্চি বর Vs বাচ্চা বউ

image_pdf

– ওকে করবো না। বাট আমার একটা ইচ্ছে পূরন করতে হবে( তুই নিজে মিথ্যা বলিস তাও বুঝতে পারলি না আমি তোকে এখন মিথ্যা বললাম।)
— কি ইচ্ছে? (ভয়ে ভয়ে)
— আমাকে লিপ কিস করতে দিতে হবে তাও আমি যত ক্ষন চাইবো।
— কিহ? কি বললি তুই, তোর কি মাথা খারাপ হয়েছে ( অবাক হয়ে)
— আমার মাথা ঠিকি আছে।আমি তোর নেশায় হারিয়ে গেছি।তোর ঠোটে অদ্ভুত এক স্বাদ আছে আমি সেই স্বাদ আবার নিচে চাই।
— ছিঃ তোর লজ্জা

করে না একটা মেয়েকে এসব বলতে?? ( ছারানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছে)
— তুই তো আমার আমার মনের কথা,আমার চাওয়া পাওয়া সব তো তোকেই বলবো ( একটু ভাব নিয়ে)
— তোর বউয়ের গুষ্টির ক্যাথায় আগুন।
ছার আমাকে…….
আমি রিমার কানের কাছে মুখ ঘেসিয়ে তাকে বললাম।
— তোর পিক গুলা কি তাহলে………..
আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই!
— প্লিজ আকাশ এমন কিছু করসি না।কেউ নিজের বউয়ের ঐ রকম পিক নেটে ছারে বল। ( মায়াবী সুরে)
— তাহলে মানছিস তুই আমার বউ (ফিসফিস করে)
— কেন এমন করছিস ছেরে দে না আমায়……
— ছেরে কি করে দিই বল। তোর জন্য আজ আব্বু প্রথম বার আমার গায়ে হাত তুলেছে এর শাস্তি তো তোকে পেতেই হবে।
— ওকে আমায় ছেরে তোর যা শাস্তি দেওয়ার দে।।
— উউহুমম তোকে তো আজ ছারবো নাহ।ভেবেছিলাম তোকে আজ খাটের সাথে বেধে ব্যাত দিয়ে পিটাবো কিন্তু তোর গোলাপি ঠোট আর গরম নিশ্বাস আমায় পাগল করে দিয়েছে।
.
— দেখ জনি যদি জানতে পারে তুই আমার সাথে এমম বিহেভ করেছিস তাহলে কিন্তু সে তোর খবর করে ছারবে।
রিমার মুখে জনি নাম শুনে মাথা গড়ম হয়ে গেলো।
আমি রিমার চুলের মুঠি ধরে টান দিলাম।
— কি করবে তোর সেই জনি।আমার একটা লোমও ব্যাকা করার ক্ষমতা নাই তার…( হেচকা টান দিলাম)
— আকাশ আমার লাগছে ( কাদো কাদো গলায়)
আমি রিমার চুল ছেরে দিলাম।তার থুতনির নিচে আলতো করে একটা চুম্বন খেলাম।সে হালকা কেপে উঠলো।তার কাপনি আমাকে আরো মাতাল করে দিলো।
আমি তার গলার চারে পাশে পাগলের মতো চুমু খেতে থাকলাম।রিমা জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছে।
–আকাশ প্লিজ ছেরে দে….. ( ভারি গলায়)
আমি রিমার কোথায় কান দিলাম না। রিমার দুই হাত বিছানার সাথে চেপে ধরলাম।তার ঠোটে আমার ঠোট লাগিয়ে সেই অদ্ভুত স্বাদ নিতে লাগলাম।অজানা এক অনুভূতি।
কতক্ষণ এভাবে ছিলাম জানি না।
একটা সময় দেখি রিমার কোনো রেসপন্স নাই।
আমি রিমাকে ছেরে দিই কিন্তু তার কোনোই প্রতিক্রিয়া নেই।
চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে।
আমি রিমার নাকের কাছে আমার দুইটা আঙ্গুলের উঠলো দিক ধরলাম।
না শ্বাস তো চলছে।তাহলে রিমাকি ঘুমিয়ে পড়লো।
আমি তাকে ধাক্কাতে লাগলাম কিন্তু সে উঠছে না।আমি বেশ ভয় পেয়ে গেলাম।রিমার কিছু হলো না তো।টেবিলে রাখা পানির গ্লাস থেকে হাতে কিছু পানি নিয়ে দিলাম তার মুখে ছিটা।
চোখের পাতা নড়ে উঠলো।গ্লাস আবার টেবিলে রেখে দিলাম।
রিমা চোখ খুলে আমার দিকে কেমন করে যেন তাকালো।
— সরি আমি বুঝতে পারিনি তুই জ্ঞান হারিয়ে ফেলবি..
— রাখ তোর সরি।সব কিছু শেষ করে এখন সরি হ্যা ( কেঁদে দিয়ে)
— সব কিছু কয়? আমি তো শুধু কিস করেছি আর তো কিছু করিনি…..(ভাবুক হয়ে)
— ওও এখন তাহলে আমার শরীর ভোগ করতে চাসস।নেএ ভোগ কর ( নিজে কে আমার কাছে এগিয়ে দিয়ে)
— আমি কি সেটা বললাম।আমাকে কি তোর ওমন ছেলে মনে হয় (আদুরে সুরে)
— এ্যা আইছে রে ভালো ছেলে।তুই কেমন ছেলে আমি খুব ভালো করে বুঝে গেছি!
— বাচ্চা একটা মেয়ে এতো কিছু বুঝিস কি করে!
— তোকে অতকিছু জানতে হবে না।এখন যা আমার রুম থেকে ( এক ধাক্কা মেরে বিছানা থেকে ফেলে দিলে।)
–ওরে মারে গেলো রে আমার কমোড় গেলো (আমি হালকা চিল্লানী দিয়ে)
–ঐ হারামজাদা চেল্লাছিস কেন?? ( খাট থেকে উপুর হয়ে)
— শেষ তোর বরের মাজা শেষ।( এবার অভিনয় শুরু করলাম)
— সরি আমি তোকে এতো জোরে ধাক্কা দিতে চাইনি (এক হাতে কান ধরে)
— আচ্ছা যা হওবার হয়ে গেছে এখন আমাকে বিছানে নে,অনেক ঘুম পাচ্ছে।
— তোর ঘুম পাচ্ছে তো তোর রুমের বিছানায় গিয়ে ঘুমা, আবার বিছানায় আসতে চাইছিস কেন!
— থাক তোকে আর কষ্ট করে আমাকে তুলতে হবে না আমি একায় উঠতে পারবো ( আমি আবার বিছানায় এসে রিমার দিকে মুখ করে শুয়ে পরলাম)
— তুই এতে ছ্যাচরা কেন রে??? (বিরক্তি নিয়ে)
— আমি আবার কি করলাম? ( হাসি মুখে)
রিমা আমাকে আর কিছু বললো না।জানে আমার সাথে কথায় সে পেরে উঠবে না।
সে রাগ করে আমার বিপরীত দিকে মুখ করে শুয়ে পরলো।
— ও রিমা।
–…………. ( কোনো কথা বলছে না)
— রি মমা আআআআ (একটু জোরে)
— কিহ, কি হয়েছে কিহ?এভাবের ষারের মতো ডাকছিস কেন?( আমার দিকে ফিরে)
–ঠান্ড…
— কিসের ঠান্ড?( ভ্রু কুঁচকে)
— আমাকে অনেক ঠান্ড লাগছে! ( রিমার দিকে একটু চেপে)
— এই তুই আমার দিকে চেপে আসছিস কেন? তোর মতলব কি বলতো?
আমি রিমাকে আমার বাহুদ্বয়ে আবদ্ধ করে নিলাম।
— এবার ঘুমা (আমি)
— সুযোগ পেয়ে তার সত ব্যবহার করছিস??
— আহ কথা বলিস না তো ঘুমাতে দে…..
রিমা আর কিছু বললো না।চুপটি করে আমার বুকের মাঝে শুয়ে রইলো। আজ থেকে আরো ২ বছর আগে আমাদের বিয়ে হলে কতোই না ভালো হলো।এতো দিন আমি বাচ্চার বাবা হতাম।আমার ছেলের বিয়ে ঠিক আর ১৬ বছর পর দিতাম,তার ১ বছর পর দাদা ডাক শুনতে পেতাম।
এসব ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে গেছি খেয়াল নেই।
সকালে শরীরে খুব জোরে কোনো কিছুর আঘাতে আমার ঘুম ভাঙে।
— আম্মুউউউউউ গোওওও ( বিছানা থেকে লাফ দিয়ে আমার পিছনে হাত)
সামনে তাকিয়ে দেখি কাল রাতে যেই ব্যাতের লাঠিটা রিমাকে পিটানোর জন্য এনেছিলাম সেটা তার হাতে।
–কি এটা? ( লাঠি টা দেখিয়ে)
— এতো তেল কেন মাখিয়েছিস এতে? ( লাঠি তার ডান হাত দিয়ে বাম হাতের পাতায় আসতে আসতে মারছে)
— তুই যেন বেশি ব্যাথ্যা পাস তাই তেল মাখিয়েছিলাম (পিছন খুব জ্বলছে)
কথাটা বলতে দেরী কিন্তা রিমার সেই লাঠি দিয়ে আমাকে পিটাতে দেরি নাই।
— আরে আরে মারছিস কেন ( রুমের এক পাশে দৌড়ে পালালাম)
— তোকে আজ মেরেই ফেলবো। তোর এতো বড় সাহস আমাকে মারার জন্য তুই লাঠি নিয়ে আমার রুমে আসিস….
রুমের ভেতর আমি আর রিমা ছুটোছুটি করছি।
–রিমা দেখ ভালো হচ্ছে না কিন্তু….. (বালিশ ছুরে মেরে)
— খারপ তো তখন হবে যখন তোকে ধরতে পারবো ( সেও একটা বালিশ ছুরে আমাকে মারলো)
— বরের গায়ে হাত তুললে তুই পরের জম্মে পেত্নী হবি কিন্তু…….
— এবার কোথায় পালাবা চান্দু??( সে আমাকে ধরে ফেলেছে)
— রিমা তেলা পোকা……..( মিথ্যা)
ব্যাশ হয়ে গেলো।রিমা লাঠি ফেলে আমাকে জরিয়ে ফেললো।রিমা আমার বুকে মুখ লুকিয়ে আছে।
— রিমা আমাকে ছারতো অনেক গড়ম লাগছে ( ভাব দেখিয়ে)
— না ছারবো না….. ( আরো আসটে পিসটে জরিয়ে ধরলো)
— আরে ছার না, আমায় এখন পালাতে হবে। তেলা পোকাটা আমাদের দিকে আসছে….. ( ডাহা মিথ্যা কথা)
— কিহ ( এক লাফ দিয়ে আমার কোলে উঠে গেলো)
আহ কি ভালোটায় না লাগছে।আগে যদি এই ফরমুলা ইউস করতাম তাহলে এতো দিনে রিমা আমার হয়ে যেত।
— তেলা পোকা চলে গেছে।
–সত্যি বলছিস তো??
— হুম রে বউ সত্যি বলছি।এবার আমার কোল থেকে নাম।মেয়ে তো না ঠিক একটা আটার বস্তা।
— কিহ আমি আটার বস্তা( কোল থেকে নেমে আপে পাশে তাকাতে লাগলো)
— তা নয় তো কি?
— তুই আসলেই একটা শয়তান।
— রিমা আজ তুই আমার সাথে স্কুল যাবি……
— তোর সাথে স্কুল যেতে আমার বয়েই গেছে ( ভেংচি কেটে)
— যদি না যাসস! তাহলে তোর সেই পিক গুলা কি করবো জানিস……
— হুমমম যাবো। এখন বের হো আমার রুম থেকে ( শয়তান একটা)
— কি রে কিছু বললি?
— কই না তো!
আমি মনের সুখে রুম থেকে বেরুতে যাবো আর দরজা খুলে দেখি আব্বু….
ধুর “যেখানেই বাঘের ভয়, সেখানেই সন্ধা হয়”!
— কি রে তুই রিমার রুমে কি করছিলি??
— তোমার ভাজির রুমে একা শুতে ভয় পাচ্ছিল তাই আমাকে ডেকে তার রুমে শুতে বলেছিল।( মাথা নিচু করে)
— কই রিমা তো আগে কখনো একা শুতে ভয় পেতো না।(গম্ভীর ভাবে)
— বিয়ের পর মেয়েরা একটু ভীতু হয়ে যা তুমি যানো (হালকা গলায়)
— কই তোর আম্মু তো কখনো আমায় এমন কিছু বলেনি….. (একটু ভেবে বললো)
— বলবে কি করে আম্মু কি অন্য কাউকে ভয় পাই।ভয় পাইতো তোমাকে…… ( মিন মিন করে)
— কিছু বললি????
— কককই কিছু বলিনি তো……
— তোর কথা কেন যানি আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।তুই একটু রিমাকে ডাকতো!
— ঠিকাছে !
রিমাও রিমা,গো, কই গো বউ আমার তোমাকে আমার পি………
— ঐ হারামজাদা! বাপের সামনে দাড়িয়ে কেউ বউ কে এমন আদর করে ডাকে ( একটা চটা মেরে)
— হুমমম!!!ঐ নবাবজাদি তোকে কখন থেকে ডাকছি কানে কথা যায় না।কানে কি তোর তুলা ভরা আছে……( রিমাকে ডেকে আবার বাবার দিকে তাকালাম।)
ঠাসসসসসসসসসসস
— শয়তান ছেলে বউকে সম্মান দিয়ে ডাকতে পারিস না!!!
— কি হলো এতো চিল্লাছিছছছছো কেন ( বাইরে এসে দেখে বাবা)
— রিমা মা এখানে আয় তো…….
— জি চাচ্চু বলো!
আমি গালে হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছি।
— আসলে বাবা বলছিল আমি তোমার রুমে কিভাবে এলাম। ভাবছে আমি আবার তোমাকে নিযাতন করছিলাম ( রিমাকে ইশরা করে হ্যায়ে হ্যা মিলাতে বললাম।)
–না চাচ্চু আমি তোমার ছেলেকে তার রুম থেকে ডেকে এনে তেল মালিশ করছিলাম ( এ তো আমার থেকেও দুই ধাপ এগিয়ে)
— কিন্তু আকাশ যে বললো তুই নাকি একা শুতে ভয় পাচ্ছিলি!
— হুমমম ভয়ই তো পাচ্ছিলাম তাই তোমার ছেলেকে আমার রুমেই থেকে যেতে বলি (বাংলাদেশে এতো ভালো অভিনেত্রী আছে জানা ছিল না)
— তুই তো ওর রুমে গিয়ে থাকতে পারতি….. ( আব্বু কেন যে এতো প্যাচাল পারে)
— চাচ্চু তুমি ভুলে গেলে। তুমি তো তোমার ছেলেকে বলেছিলে যেন তার রুমে আমি না থাকি তাই সে আমার রুমে এসেছে।।।
— বাহ চমৎকার এমনি তো চাই।এমনি কি তোকে আমার ছেলের বউ করেছি।
— হুমমম চাচ্চু……
আব্বু চলে গেলো।আর আমি মুখ হা করে রিমাকে দেখছি। এটা মেয়ে না অন্য কিছু।এইটুকু একটা বাচ্চা মেয়ের মাথায় এতো কিছু আসে কিভাবে।
!!!!!!!!!
!!!!!
!!!
!!
আমি বাড়ির বাইরে সাইকেল নিয়ে দাড়িয়ে আছি। আজ আমি আর রিমা একসাথে সাইকেলে চেপে স্কুল যাবো যদিও সে গাড়ি করে প্রতিদিন স্কুল যায়।
— এতো ক্ষন লাগে তোর রেডী হতে……
— হুম আমার একটু সময় লাগে।
— আটা ময়দা মাখলে তো দেরি হবেই।( আসতে করে)
— এই তুই কি বললি??
— বলছি অনেক দেরী হয়ে গেছে এখন তারাতারি সাইকেলে উঠে পর…….
— কিহ আমি সাইকেলে করে স্কুল যাবো…..
— না প্লেনে করে যাবি!
— আমি তো কোনোদিন সাইকেলে চরিনি।
— তো কো এখন চরবি।।।
— আমি বসবো কোথায় পিছনে তো বসার কোনো জায়গা নায়।
— সামনে বস।।
রিমাকে সাইকেলের সামনে বসিয়ে স্কুলে চলে এলাম।
স্কুলের সবাই আমাদের দিকে চোখ বড় বড় করে দেখছে।মনে হচ্ছে আমরা কোনো এলিয়েন।
টিফিনে আমরা সব বন্ধু বসে আড্ডা দিচ্ছি তখনি আমার এক বন্ধু এসে বললো রিমা নাকি টিফিন পালিয়ে লেকের পাড়ে………

Be the first to reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *