বাংলা কৌতুক এসএমএস

image_pdf

1

শিক্ষকঃ বলো তো, কোনটি আমাদের জন্য অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ, সূর্য না চাঁদ?
ছাত্রঃ চাঁদ, স্যার।
শিক্ষক(অবাক হয়ে): কেন?
ছাত্রঃ চাঁদ আমাদের রাতে আলো দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন হয় কিন্তু সূর্য
দিনে দেয় যখন আমাদের প্রয়োজন নেই।


2

শিক্ষকঃ শেরশাহ প্রথম ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন ।
ছাত্রঃ কেন স্যার,
এর আগে কি ঘোড়ারা ডাকতে
পারতো না?


3

স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে।
স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়?
মিঠুঃ গরু? গরু আমাদের গুঁতো দেয় স্যার!!


4

পরীক্ষার হল থেকে এক ছেলে স্যারের অনুমতি নিয়ে টয়লেটে গেলো।
টয়লেটে আগেই একটা বই রাখা ছিলো,
প্রশ্নের উত্তর বের করে পড়ে আসতে আসতেই অনেকক্ষণ দেরি হয়ে গেল তার।
ফিরে আসতেই স্যার কষে ধমক লাগালেন।
-কী ব্যাপার,
টয়লেট থেকে আসতে এতো দেরী হলো কেনো?
আর কেউ যাবে না নাকি?
-না স্যার,
ওরা ভালো করেই পড়াশোনা করে এসেছে


5

শিক্ষকঃ মন্টি, বলো তো হাসা এর ইংরেজী প্রতিশব্দটি কি?
মন্টিঃ লাফ।
শিক্ষকঃ তাহলে হাসাহাসি এর ইংরেজী কি হবে?
মন্টিঃ লাফালাফি স্যার


6

শিক্ষকঃ বলো তো বাতেন, ভেজাল এর বিপরীত কি?
বাতেনঃ খাঁটি স্যার।
শিক্ষকঃ গুড।
বাতেনঃ ব্যাড।
শিক্ষকঃ (রেগে) বেআদব!
বাতেনঃ আদব।
শিক্ষকঃ (আরো রেগে) ওঠ!
বাতেনঃ বস।


7

শিক্ষক ছাত্রকে বললেন, লেখাপড়ায় তুমি বেজায় খারাপ করছো,
কাল তোমার বাবাকে স্কুলে আসতে বলবে,
তার সাথে পরামর্শ করতে হবে ।
ছাত্রঃ কিন্তু তার জন্য যে ফি লাগবে স্যার ।
শিক্ষকঃ ফি! কিসের জন্য?
ছাত্রঃ আমার বাবা যে উকিল।
ফি ছাড়া তো তিনি পরামর্শ করেন না ।


8

শিক্ষকঃ বলো তো জহির, শিক্ষকদের স্থান কোথায়?
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার পেছনে।
শিক্ষক (রেগে গিয়েঃ শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি। তোমার কিছু হবে না!
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন,
তোর পেছনে অতো মাস্টার লাগালাম,
তবু তুই পাশ করতে পারলি না


9

লে বার্ষিক পরীক্ষা আরম্ভ হলো।
পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে।
শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন?
ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি।
শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে?
ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন’। স্যার, আমি তো ছাত্রী।
….‘ছাত্রজীবন’ লিখবো কীভাবে।


10


11

রিমন খুবই ফাঁকিবাজ।
প্রায়ই দেরি করে স্কুলে যায় আর এজন্য নিত্যনতুন অজুহাতও তার তৈরিই থাকে! তো,
একদিন দেরি করে কাসে যাওয়ার পরে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন,
রিমন,
এতো দেরি হলো কেনো?
রিমন: আর বলবেন না স্যার! রাস্তা আজকে এতো পিচ্ছিল ছিলো যে,
এক পা এগুলে ২ পা পিছিয়ে যাই এমন অবস্থা তো এ অবস্থায় পড়লে
দেরি তো একটু হবেই।
স্যার: এই অবস্থা হলে তো তোমার আজকে স্কুলেই পৌঁছানোর কথা না!
স্কুলে আসলে কিভাবে?


12

স্কুল পরিদর্শনে এসে ক্লাস নাইনের রুমে ঢুকলেন পরিদর্শক।
তখন ইতিহাস ক্লাস চলছিলো। ফার্স্ট বয়কে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘
বলোতো, সোমনাথের মন্দির কে ভেঙেছিলো?’
ফার্স্ট বয়: (ভয় পেয়ে) আমি ভাঙিনি স্যার, বিশ্বাস করেন, স্যার,
আমি কোনোরকম ভাঙচুর করিনি! আমাকে মাফ করে দেন স্যার।


13

স্কুল পরিদর্শনে এসে ক্লাস নাইনের রুমে ঢুকলেন পরিদর্শক।

তখন ইতিহাস ক্লাস চলছিলো। ফার্স্ট বয়কে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন,
‘বলোতো, সোমনাথের মন্দির কে ভেঙেছিলো?’
ফার্স্ট বয়: (ভয় পেয়ে) আমি ভাঙিনি স্যার, বিশ্বাস করেন,
স্যার, আমি কোনোরকম ভাঙচুর করিনি!
আমাকে মাফ করে দেন স্যার।

পরিদর্শক তখন ক্লাস টিচারের দিকে তাকিয়ে বলছেন

, ‘কি বলে আপনার ছাত্র এসব উল্টা পাল্টা?’
শিক্ষক: উল্টা পাল্টা নয় স্যার।
আমি ওকে সেই ছোটবেলা থেকেই চিনি।
খুব ভালো ছেলে স্যার। মন্দির-মসজিদ ভাঙার মতো কোনো কাজ ও করতেই পারেনা।
পরিদর্শক রেগে গিয়ে হেডমাস্টারের কাছে জানতে চাইলেন,
‘এর একটা বিহিত করুসামনেই আপনার ছাত্র আর শিক্ষক মিলে এগুলো কি কথা বলছে?’
প্রধান শিক্ষক: আপনার হয়তো একটু ভুল হচ্ছে স্যার। আমি ইতিহাস শিক্ষককে ব্যক্তিগতভাবে চিনি।
সৎ ও সত্যবাদী মানুষ। আমার ছাত্র যদি মন্দির ভাঙতো,
তাহলে তিনি সেটা নিশ্চয়ই বলতেন। তাছাড়া আমার ছাত্ররাও খুব ভালো স্যার,
ওরা জানালার কাঁচ পর্যন্ত ভাঙেনা, আর আপনি বলছেন মন্দির ভাঙা।
আপনি সত্যি সত্যি ভুল করছেন স্যার।
পরিদর্শক:


14

শিক্ষক: রনি, এই ম্যাপে দেখাও তো দেখি আমেরিকা কোথায়?
রনি গিয়ে দেখিয়ে আসার পর
শিক্ষক: ভেরি গুড। এবার জনি বলতো,
আমেরিকা কে আবিস্কার করেছেন?
জনি: রনি, স্যার।


15

শিক্ষক: বলোতো মন্টু, উভচর কাকে বলে?
মন্টু: যা জলে ও স্থলে উভয় জায়গায় চলতে পারে, তাকে বলে উভচর।
শিক্ষক: ভেরি গুড।
এবার রন্টু একটা উভচর প্রাণীর উদাহরণ দাওতো।
রন্টু: হাঁস, স্যার


16

ছাত্র তার স্যারকে জিজ্ঞেস করল, ‍‌
স্যার আপনার মাথায় এত্ত বড় টাক কেন?
এই কথা শুনে স্যার তার চুল ধরে ইচ্ছেমত টেনে দিল।
তখন ছাত্রটি বলল,
স্যার এটা মুখে বললেই হত,
শুধু প্রাকটিক্যাল দেখাতে গেলেন কেন?


17

একদিন ক্লাশে শিক্ষক ছাত্রদেরকে অতিথি পাখি সম্পর্কে বলছিলেন।

ঐ যে, যে পাখিগুলো শীতকালে শীতের হাত থেকে বাঁচার জন্য শীতের দেশ থেকে উড়ে উড়ে গরমের দেশে চলে আসে
। তো শিক্ষক বলতে বলতে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করলেন,
‘আচ্ছা, তোমরা কি বলতে পারবে,
অতিথি পাখিরা শীতকালে এতো দূরে উড়ে আসে কেনো?
’ এক ছাত্র তখন তখনই দাড়িয়ে উত্তর দিলো, ‘
এতো দূর তো আর হেঁটে আসা সম্ভব নয়,

তাই উড়ে উড়ে আসে!’


18

বিজ্ঞান ক্লাস চলছে।
শিক্ষক বোঝাচ্ছেন,
আমাদের জন্য অক্সিজেন কতো প্রয়োজনীয়।
‘আমরা আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি।
সারাটা দিন আমরা নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি।
তাহলে রাতে আমরা নিঃশ্বাসের সাথে কি গ্রহণ করি?’
সামনের বেঞ্চ থেকে এক ছাত্র দাড়িয়ে বললো, ‘

নাইট্রোজেন, স্যার

 


19

ইতিহাস ক্লাশে স্যার নিশিকে দাঁড় করালেন- ‘বলো তো,
আকবর জন্মেছিলেন কবে?’
নিশি : স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!
স্যার : কে বলেছে বইয়ে নেই!
এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে-
১৫৪২- ১৬০৫!

নিশি : ও! ওটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ!
আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার।
তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম,

রং নাম্বার বলে কেন


20


21

লে পরীক্ষার সময় সবাই গণহারে দেখাদেখি করে লিখছে।
সামনের বেঞ্চের একজন স্টুডেন্ট লিখলো সম্রাট শাহজাহান দুঃসময়ে
ভাঙ্গিয়া পড়িতেন না।
পিছনের বেঞ্চের একজন স্টুডেন্ট এটা দেখে লিখতে
গিয়ে লিখলো সম্রাট শাহজাহান দুঃসময়ে
জাঙ্গিয়া পরিতেন না।


22

টীচার: এই ছেলে তুমি ক্লাসে ঘুমাচ্ছ কেন?
স্টুডেন্টঃ- ম্যাডাম আপনার কন্ঠ এত সুইট…শুনতে শুনতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি টেরই পাইনি…!
টীচারঃ- তাহলে অন্য স্টুডেন্টরা কেন ঘুমাচ্ছে না?
স্টুডেন্টঃ- কারন ওরা আমার মত আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে না, তাই


23

একদিন এক ক্লাক তার এক বন্ধুকে বলল ,
জানিস কাল থেকে আমার অফিস দু সপ্তাহ ছুটি ।
বন্ধুটি জানতে চাইল , কি ভাবে ? কাল থেকে আমি
এক সপ্তাহ ছুটিতে যাচ্ছি ।
তার পরের সপ্তাহে আমার বস ছুটিতে যাচ্ছেন।


24

মহিলা টাইপিস্ট পুরো দেড় ঘন্টা লেট করে অফিসে এলো |
দেরির কারন জানতে চাইলেন বড়কর্তা |
টাইপিস্ট বললেন, আমি ঠিক সময়ে আসতে চেয়েছিলাম .
কিন্ত একটা যুবক আমাকে ফলো করছিলো |
কিন্ত টাই বলে দেড় ঘন্টা লেট?
কি করবো বলুম যুবকটি যে বড্ড ধীরে ধীরে হাটঁছিল


25

ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো,
বল তো ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেল এর ইংরেজি কি হবে?
এটার ইংরেজি পারি না স্যার | আরবিটা পারি |
আরবিটা পার ?
ঠিক আছে বল |
ইন্নালিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন


26

টিচার: এই আবুল বলতো জনক কয় প্রকার?
ছাত্র: স্যার জনক হল ২ প্রকার৷ একটা হল ‘জাতির জনক’ আর আরেকটা হল ‘আশঙ্কাজনক’
৷ (ছাত্র এত সোজা প্রশ্ন শুনে দাঁত কেলিয়ে ফটাফট দাড়িয়ে উত্তর দিল)
টিচার: উত্তর শুনে টিচার রেগে গিয়ে বলল, তোর উত্তর হয় নাই৷ আরও এক
প্রকার জনক আছে৷ আমি তোরে এখন বেত দিয়া পিটাইমু৷ আর সেইটা হবে তোর জন্য ‘বিপদজনক’৷
ছাত্র: স্যার আপনেরটাও হয় নাই৷ আরও এক প্রকার জনক আছে৷ আমি এখন খিচ্চা
দৌড় দিয়া পলামু৷ আর সেইটা হবে আমার জন্য ‘
সুবিধাজনক’৷
তখন পাশ থেকে আরেক ছাত্র উঠে বলল,
স্যার: আরেক প্রকার জনক আছে৷ আপনে যদি দৌড়াইয়া আবুইল্লারে না
ধইরা আনতে পারেন, তবে সেইটা হবে আপনার জন্য ‘লজ্জাজনক’৷


27

কলেজে যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে। এক পর্যায়ে শিক্ষক এক ছাত্রকে দাঁড় করালেন এবং বললেন
শিক্ষকঃ আচ্ছা ধর, তুমি চেয়ারে বসেছ চেয়ার মাটিতে স্পর্শ করে আছে অর্থাৎ
তুমি মাটিতে বসেছ।
এ রকম একটা উদাহরণ দাও তো?
ছাত্রঃ ধরুণ স্যার, আপ্নিন মুরগী খেয়েছেন আর মুরগি কেঁচো খেয়েছে সুতরাং
আপনি কেঁচো খেয়েছেন।
শিক্ষকঃ খুব হয়েছে । বস


28

শিক্ষক দ্বিতিয় শ্রেণীর ছাত্রী পড়াচ্ছেন বাড়িতে
শিক্ষকঃ বলতো ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে স্যারের মাথা।
ছাত্রীর বাবাঃ বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে বাবার মাথা।
ছাত্রীর ভাই, বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।
ছাত্রীঃ ‘মাই হেড’ মানে ভাইয়ার মাথা, এরপর মা।
ছাত্রীর মাঃ বল ‘মাই হেড’ মানে আমার মাথা।


29

ছাত্রীঃ এবার বুঝেছি ‘মাই হেড’ মানে সবার মাথা।
শিক্ষকঃ বলো তো! টেবিলে যদি পাঁচটা মাছি থাকে,
আর একটি মাছি থাপ্পর দিএয় মেরে ফেলা হয় তাহলে টেবিলে আর কয়টা মাছি থাকবে?
ছাত্রঃ একটা স্যার।
শিক্ষকঃ অবাক হয়ে, কিভাবে?
ছাত্রঃ সবগুলো উড়ে যাবে, শুধু মরাটা পড়ে থাকবে


30

স্যার:কিরে তর মন খারাপ কেন ..।।
ছাএ:স্যার কই নাতো!!
স্যার:আরে লজ্জা পাওয়ার কি আছে,
আমাকে বন্ধু ভেবে বলতো।। . .
ছাএ:আর বলিস না দোস্ত,তোর মেয়েটা আমাকে আর আগের মত ভালবাসে না ।
স্যার:বেঁ-হুশ ।


31


32

মনোবিজ্ঞানী : যদি দুনিয়াটা পাল্টে দিতে চান তাহলে বিয়ে করার আগেই সে চেষ্টা করুন।
পাত্র : কেন? বিয়ের পরে সমস্যা কী?
মনোবিজ্ঞানী : কারণ বিয়ের পর আপনি দুনিয়া তো দূরের কথা নিজের ঘরে
টিভির চ্যানেলটাও নিজের ইচ্ছায় পাল্টাতে পারবেন না!


33

টিভি দর্শক :
মেয়েদের কাছে অতি জনপ্রিয় আমি যেন এক প্রজাপতি সিরিয়ালের
সব গৃহিণী চরিত্রকে হরদম হাসিখুশি দেখা যায়। এর কারণ কী?
পরিচালক : কারণ নাটকে ওই নারীদের কারোরই শাশুড়ি নেই!


34

সাংবাদিক : নির্বাচনে দাঁড়ানোর প্রেরণা আপনি কার থেকে পেলেন?
মহিলা প্রার্থী : আমার স্বামীর কাছ থেকে।
সাংবাদিক : সেটা কিভাবে? যদি একটু বুঝিয়ে বলেন।
মহিলা প্রার্থী : এতে বোঝাবুঝির আর কী আছে? যতবার আমি ওর সঙ্গে লড়েছি, আমিই জিতেছি!


35

ঈদের ছুটিতে তোর ভাবীকে বাপের বাড়ি পাঠাতে
রেলস্টেশনে গিয়েছিলাম।
তো?
ওকে ট্রেনে তুলে দিয়ে বিদায় জানাতে গিয়ে খুশির চোটে
ট্রেনের ইঞ্জিনে চুমু দিয়ে ফেলেছিলাম


36

এক মহাধরিবাজ ঠিকাদার মহাসড়কের বড়

একটি কাজের কন্ট্রাক্ট পাবার চেষ্টা করছিলেন।
শেষতক প্রতিষ্ঠানের বড়কর্তার সঙ্গে মোটা টাকার ঘুষে কাজটি
পেতে অলিখিত চুক্তিতে আবদ্ধ হলেন।


37

দৌড়ে পোস্ট অফিসে ঢুকলেন পলাশ। হাঁপাতে হাঁপাতে পোস্টমাস্টারকে বললেন:

স্যার, স্যার… আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না।
সম্ভবত কিডন্যাপ্ড হয়েছে…
পোস্টমাস্টার: আপনি ভুল করেছেন!
এটা পোস্ট অফিস, পুলিশ স্টেশন না।
লজ্জিত হাসি দিয়ে পলাশ: সরি, ভুল হয়ে গেছে!
খুশির চোটে কী করি কই যাই- সব ওলট পালট হয়ে গেছে


38

মন্টুর বাপ : হুজুর, রোজা রেখে কি নিজের বউরে আই লাভ ইউ বলা যাবে?
হুজুর: স্ত্রীকে মোহাব্বতে নিষেধ নাই। কিন্তু…
মন্টুর বাপ: কিন্তু আবার কী, হুজুর!
হুজুর: রোজা রেখে মিথ্যা বলাটা ঠিক হবে না, ভাই সাহেব!


39

শীর্ষ এক ব্যবসায়ীর সাক্ষাত্কার
সাংবাদিক : রোজার মাসে সব পণ্যের দাম বাড়ান কেন?
ব্যবসায়ী : আরে ভাই, বোঝেন না কেন?
দাম বাড়লে মানুষ কেনাকাটা কম করবে।
এতে সংযমটা পরিপূর্ণ হবে


40


41

টনি ব্লেয়ার একবার আমেরিকা সফরে গেলেন। হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট বুশ তাই ব্লেয়ারের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করলেন।
ব্লেয়ার খাওয়ার সময় বুশের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা করতে করতে বুশকে একটা ধাঁধা জিজ্ঞেস করলেন-
ব্লেয়ার : আমার বাবা-মায়ের একটি সন্তান, কিন্তু সে আমার ভাইও না বোনও না:
বলেন তো সে কে?বুশ : জানি না তো ভাই।
ব্লেয়ার : ওটা হলো আমি।
বুশ খুব মজা পেলেন। এরপর এক অনুষ্ঠানে বুশের সঙ্গে
ক্লিনটনের দেখা হলে বুশ তাকে ধাঁধাটি জিজ্ঞেস করলেন।
ক্লিনটন একটু চিন্তা করে জবাব দিলেন-
ক্লিনটন : মিস্টার প্রেসিডেন্ট, ওটা হলেন আপনি।
বুশ : হয়নি মিস্টার ক্লিনটন, এর উত্তর হলো টনি ব্লেয়ার!


42

ছেড়া-ফাটা জিন্স ব্যবসায়ী ফজলু সকালবেলা থানায় হাজির-
ডিউটি অফিসার : সকাল সকাল থানায় কেন আসছেন ভাই?
ফজলু : আমার বউয়ের বিরুদ্ধে সেফারেশন কেস দেব।
গত ৫ বছর ধরে বউয়ের সঙ্গে আমার কোনো কথা হয় না।
ডিউটি অফিসার : বাচ্চা-কাচ্চা কয়টা?
ফজলু : ২টা ছেলে! বড় ছেলে ৪ আর ছোটটা ২ বছর!
ডিউটি অফিসার : কী বলেন! একটু আগেই বললেন, ৫ বছর ধরে কথা হয় না! তাইলে কিভাবে কি ভাই?
ফজলু : কী যে বলেন স্যার! বাচ্চা হওয়ার জন্য কি কথা বলতে হয় নাকি!


43

ট্যাক্সি ড্রাইভারের গাড়ি চালানো দেখে মুগ্ধ হয়ে শিমুল বলল-
শিমুল : বাহ! তুমি তো বেশ ভালো গাড়ি চালাতে পার।
গাড়ি চালাতে কী তোমার খুব ভালো লাগে?
ড্রাইভার : হ্যাঁ, লাগে। সবচেয়ে বড় কথা, কখন কী করতে হবে,
সেই হুকুম দেওয়ার মতো মাথার উপর বস থাকে না।
শিমুল : এবার ডানদিকে থামো


44

প্রেমিকার বাড়ির সামনে প্রেমিকাকে ড্রপ করার সময় সামনে পড়ল প্রেমিকার বাবা।
বাবা জিজ্ঞেস করলেন-
বাবা : ছেলেটা কে?
প্রেমিকা : আব্বা, উনি পাঠাওয়ের ড্রাইভার।
বাবা : ভাড়া কত হইছে?
মেয়ে : একশ টাকা।
বাবা : এই নাও, দিয়ে বিদায় করো।
ছেলে : ধন্যবাদ, ফুচকার দোকানে খরচ হওয়া

একশ টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য……………………….


45

ট্রেনে এক টি টি এক সাধু কে বলল…..
টি টি : কোথায় যাবেন?
সাধু : যেখানে রাম জন্মেছিল :
টি টি : টিকিট আছে?
সাধু : না।
টি টি : তাহলে চলুন ..
সাধু : কোথায়?
টি টি : যেখানে কৃষ্ণ জন্মেছিল


46

বাস কন্ডাক্টর: লেডিস সিটে বসেছো কেন আঙ্কেল? তোমরা তরুণরা যদি এমন করো…
মন্টু: ফেসবুকে লিজা নামের যে মেয়ের সঙ্গে রসালো চ্যাট করছো গত একমাস ধরে-

সেটা কিন্তু মামা আমি। তোমরা মুরুব্বিরা যদি এই বয়সে এমন করো…
এই শক সামলাতে পারলো না কন্টাডক্টর- মাথা ঘুরে পড়ে গেল.


47

বল্টুর মামা: কিরে! তোর রেজাল্টের খবর কী? এ প্লাস পেয়েছিস?
বল্টু: না মামা! এ প্লাস পাইনি।
বল্টুর মামা: তো এ মাইনাস?
বল্টু : না মামা, আমিতো ফেল করেছি।
বল্টুর মামা: আর এই কথা তুমি এমন হেসে হেসে খুশি হয়ে বলছিস? মানে কী?
বল্টু: পাশের বাসায় নুসরাতও ফেল করেছে তাই।
বল্টুর মামা: মানে কী? ঐ মেয়ের ফেলের সাথে তোর পাশ- ফেলের কী সম্পর্ক!
বল্টু: আছেতো! ওর বাবা বলেছিল যে, ও ফেল করলে ওকে রিকাসাওয়ালার সাথে বিয়ে দিবে।
বল্টুর মামা: আরে! ঐ রিকসাওয়ালার সাথে তোর কী সর্ম্পক!
বল্টু: (লাজুক ভাব) আর আমার বাবা বলেছিল যে, ফেল করলে আমাকে রিকসা কিনে দিবে।

আমাকে রিকসা চালাতে হবে, তাই।


48

ডান্স পার্টি হচ্ছে। এক স্মার্ট যুবক তার চেয়েও লম্বা সুন্দরী
এক তরুণীকে তার সাথে নাচার আমন্ত্রণ জানালো।
মেয়ে : ধন্যবাদ। কোনো বাচ্চাকে নিয়ে আমি নাচি না।
ছেলে : সরি! মিস, আপনার যে বাচ্চা হবে তা আমি জানতাম না।


49

১ম ব্যক্তি : ভাই, এই রাস্তাটা কোথায় গেছে?
২য় ব্যক্তি : কেন! কোথাও যায়নি তো!
১ম ব্যক্তি : কেন মজা করছেন ভাই?
২য় ব্যক্তি : মজা কেন করবো? বিশ বছর ধরে দেখছি,

রাস্তাটা এখানেই আছে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,


50

হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বল্টুর গর্ভবতী স্ত্রীকে-
নার্স : অভিনন্দন, আপনার ঘর আলোকিত করে ছেলে এসেছে।
বল্টু : আরি বাবা! কী টেকনোলজির যুগ।
নার্স : এ কথা বলছেন কেন?
বল্টু : আমার বিবি হাসপাতালে আর ছেলে ঘরেই হলো


51


52

নিজের ভাগ্য জানতে মেরিনা গেল জ্যোতিষীর আস্তানায়-
মেরিনা : কদিন হলো ডানহাতটা খুব চুলকাচ্ছে। কিসের লক্ষণ বলুন তো?
জ্যোতিষী : হুম! কোটিপতির সাথে তোর বিয়ে হবে।
মেরিনা : বামহাতের তালুও চুলকায়।
জ্যোতিষী : বলিস কী? তোর তো বিদেশযাত্রা শুভ!
মেরিনা : আমার ডান পা-টাও কিন্তু একটু একটু চুলকাচ্ছে।
জ্যোতিষী : দূর হ বেটি, তোর চুলকানি আছে। জলদি ডাক্তার দেখা।


53

ছোট্ট পিল্টু খুব বুদ্ধিমান, নারীদের সম্মান করতে পিছপা হয় না।
একদিন বাসে এক মহিলা দাঁড়িয়ে ছিল! তো পিল্টু বলে উঠল-
পিল্টু : আন্টি আমি উঠে যাই, আপনি আমার জায়গায় বসে যান।
এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে মহিলা বল্টুকে ধমক দিয়ে এক চড় দিলো! পিল্টু বলল-
পিল্টু : আন্টি, চড় মারলেন কেন?
মহিলা : আমি কি তোর বাবার কোলে বসবো


54

কদল ডাকাত ব্যাংক ডাকাতি করা শেষে তারা দেখলো তাদের
একজনের কালো মুখোশ খুলে গিয়েছে।তাদের ধারণা হলো তাদেরকে লোকে চিনে ফেলেছে।
এই ডাকাতির সময় সেখানে ছিল পল্টু আর বল্টু।
ডাকাতদের একজন খপ করে একজন ধরে বলল. . .
ডাকাত : এই, তুই আমাদের ডাকাতি করতে দেখছিস?

লোকটি : হা, আমি তোমাদের ডাকাতি করতে দেখছি।
এ কথা শুনে ডাকাতদল দিল তাকে গুলি করে।
ডাকাতদের আরেকজন ধরলো ব্যাংকের গার্ডকে. . .
ডাকাত : এই, তুই কী আমাদের ডাকাতি করতে দেখছিস?
গার্ড : দেখবো না মানে! আমার বন্দুক কেড়ে নিয়ে তোমরাই আমাকে আহত করে এই ডাকাতি করছো।
এ কথা শুনে ডাকাতদল দিল গার্ডকেও গুলি করে।
এবার বল্টুকে ধরলো ডাকাত

ডাকাত : এই, তুই কিছু দেখছোস?
বল্টু : (কিছুক্ষণ চিন্তা করে) না ভাই, আমি কিছু দেখি নাই। তবে…
ডাকাত : তবে কী?
বল্টু : আমার বউ দেখেছে!


55

এক লোক স্টেশন মাস্টারকে বলছেন-
লোক : ভাই, সিলেটের ট্রেনটা কখন ছাড়বে?
মাস্টার : সাড়ে আটটায়।
লোক : আর চট্টগ্রামেরটা?
মাস্টার : এগারোটায়।
লোক : তাহলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ট্রেনটা যাবে কখন?
মাস্টার : আরে, এতো ট্রেনের খবর নিচ্ছেন, আপনি যাবেন কোথায়?
লোক : না, মানে আমি রেললাইনটা পার হয়ে ওপাশের প্ল্যাটফর্মে যাবো তো।


56

মন্টুর ১০ লাখ টাকা হারিয়ে গেছে। তাই সে বিছানায় চিৎপটাং।
মন্টু তখন ছেলেকে বলছে-
মন্টু : আমাকে এক গ্লাস পানি দে ভাই।
স্ত্রী : এসব তুমি কী বলছো? তোমার ছেলেকে তুমি ভাই বলছো।
মন্টু : এত টাকা হারিয়ে গেলে এমনই হয় মা!
মেয়ে : বাবা, তোমার মাথা ঠিক আছে তো। তুমি এসব কী বলছো?
মন্টু : তুমি কে বোন?


57

দুই ফকিরের কথোপকথন. . .
১ম ফকির : আইজকা মতিঝিলে একখান একশ টাকার নোট কুড়ায়ে পাইছিলাম!
২য় ফকির : কস কি? তোর তো দেখি বিরাট ভাইগ্য!
১ম ফকির : আরে না, নোট খান জাল আছিলো। তাই ফালাইয়া দিছি!
২য় ফকির : জাল আছিলো ক্যামনে বুঝলি?
১ম ফকির : তুই কোনোদিন একশ টাকার নোটে একের পর
তিনটা শূন্য দেখছোস?


58

মাঝবয়সী কড়া মেজাজের মহিলা-
মহিলা : এই যে খোকা, তোমার মা কি জানেন যে, তুমি সিগারেট টানো?
খোকা : আচ্ছা ম্যাডাম, আপনার স্বামী কি জানেন যে আপনি রাস্তাঘাটে
অচেনা লোকদের সঙ্গে কথা বলেন


59

লালু বিদেশ থেকে ফেরত এসেছে. . .
চাচা : লালু, বিদেশে অনেক দিন থাকলা। ইংরেজি তো জানো মনে হয়?
লালু : তা তো অবশ্যই!
চাচা : তাহলে বল তো, আমি তোমাকে চিনি ইংরেজি কী?
লালু : এটা তো সহজ, আই সুগার ইউ!
চাচা : বাহ্ ভালো! এবার বল তো, ভালোবাসা ইংরেজি কী?
লালু : ভাব নিয়ে! গুড হাউজ


60

১৯৭২ সালের ঘটনা। সদ্য স্বাধীন দেশ, পাকমোটর নামের জায়গাটা বাংলামোটর নাম হয়েছে।
পাকিস্তান অবজারভার পত্রিকার নাম হয়েছে বাংলাদেশ অবজারভার। এমন আরও অনেক পরিবর্তন এসেছে।

আসাটাই স্বাভাবিক।কিন্তু অনেক দিনের অভ্যাস আর এক রাজাকার পরিবর্তিত নাম বলতে চাইলনা।
তিনি রিকশাওয়ালাকে ডেকে বললেন, এই রিকশা, পাকমোটর যাবা?
রিকশাওয়ালা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি খেপে গেলেন। লোকটির ঠিক

পেট বরাবর কষে একটা লাথি দিয়ে রিকসাওয়ালা বললেন, এখনও পাকমোটর কস,
এত্ত সাহস তর! তুইতো দেহি রাজাকার! পাক নামের যা পাবি সব বাদ দিয়া বাংলা
লাগাবি প্রচণ্ড ব্যথায় অস্থির হয়ে লোকটি গেলেন ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তারকে জানালেন- ডাক্তার সাহেব, কিছু একটা করেন, আমার বাংলাস্থলীতে প্রচণ্ড ব্যথা!


61

মাঝবয়সী কড়া মেজাজের মহিলা-
মহিলা : এই যে খোকা, তোমার মা কি জানেন যে, তুমি সিগারেট টানো?
খোকা : আচ্ছা ম্যাডাম, আপনার স্বামী কি জানেন যে আপনি
রাস্তাঘাটে অচেনা লোকদের সঙ্গে কথা বলেন


62


63

এক অশিক্ষিত লোক তার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে শহরের ডাক্তারের কাছে-
লোক : আমার বউ কি গর্ভবতী?
ডাক্তার : আগে চেকআপ করতে হবে।
চেকআপ করার পর-
লোক : কী হয়েছে বলুন!
ডাক্তার : আপনার বউ গর্ভবতী নয়। পেটে হালকা গ্যাস হয়েছে।
লোক : আপনি ফাইজলামি করেন! আমি কি পাম্পার নাকি যে, আমার বউয়ের পেটে গ্যাস হবে!


see more sms:

Be the first to reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *