ভালবাসার শত না বলা

image_pdf

রিয়া আক্তার নামে অপরিচিত একটা আইডি থেকে
মেসেজ আসলো…
রিয়া..> হাই
রাজ..>হ্যালো
রিয়া..>কেমন আছেন..
রাজ..>ভালো..আপনি …
রিয়া..>হুম, ভালো..কি করেন..
রাজ..> শুয়ে শুয়ে ফেবুক চালায়.. আপনি ..
রিয়া..>আপনার সাথে চ্যাট করি..
রাজ..>হুম,গুড.
রিয়া..>চিনতে পারছো..
রাজ..>না তো,,,কে আপনি

রিয়া..>১১/৩/২০১৫ তারিখটা মনে আছে..
.
>.. তারিখটার কথা শুনে চমকে উঠলাম,, কিছু কথা
মনে পড়লো..।
তখন আমি ঢাকায় ছিলাম। আমি যে বাসায়
থাকতাম তার পাশের বাসায় একটি মেয়ে থাকতো
নাম রিতা। রিতা দেখতে পরীর মতো ছিলো প্রথম
দেখাতেই তাকে ভালোবেসেছিলাম,, কখনো
বলিনি,,, মনের মাঝে তার ছবি একেছিলাম..।
বাসার সামনে ফুলের গাছ ছিলো… একদিন সকালে
ওঠে ফুলের গাছে পানি দিচ্ছিলাম হঠাৎ রিতা এসে
বলল… একটা ফুল দিবেন … আমিও না করতে পারলাম
না,,,, রিতা বেশি কথা বলতো না সব সময় চুপচাপ
থাকতো.। … লাল টকটকে একটা গোলাপ ফুল ছিড়ে
দিলাম রিতা মিষ্টি একটা হাসি দিয়ে চলে
গেলো.। বিকেলবেলা একটু ঘুড়তে বের হবো তখনি
রিতা ডাক দিলো… এই যে শুনছেন… হুম,,,বলেন
শুনছি…
রিতা…>কোথায় যাবেন…
আমি…>একটু ঘুড়তে যাবো…
রিতা …>আমাকে নিয়ে যাবেন…
আমি…>যাবেন আপনি…
রিতা…> হুম..
অতপর দুজন মিলে ঘুড়তে গেলাম রিতা কে ফুচকা
খাওয়ালাম,, ঘুড়া ঘুড়ি শেষ করে রিতা কে বাসার
সামনে দিয়ে বললাম বাসায় যাও..রিতা বলল
আপনার কি ফেবু আইডি আছে…হুম আছে…কিছুদিনের
মধ্যেয় রিতা আর আমি ভালো বন্ধু হয়ে গেলাম..
প্রতিদিন ফুচকা খাওয়া ঘুড়ে বেড়ানে আড্ডা
দেওয়া অনেক মজাই করতাম…।একদিন ভাবলাম
রিতা কে প্রপোজ করবো বিকাল বেলায় গাছ থেকে
একটা বড় গোলাপ ফুল নিয়ে রিতার সামনে হাজির
হলাম বলে দিলাম মনের কথা….. রিতা শুনে খুব
হাসলো তারপর সেও একটি গোলাপ ফুল বের করে
আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল…আমি ও তোমাকে
অনেক ভালোবেসে ফেলছি… সেই শুরু হলো ফনে
কথা বলা… রাত জাগা… খুব কেয়ার করতো আমায়..।
সব চেয়ে বেশি ভালো লাগতো তার পাগলামো
গুলো। কি করতো জানেন প্রতিদিন সকালে আমার
গাছ থেকে ফুল চুরি করতো আর বিকালবেলায় সেই
ফুল আমাকে দিতো…
.
তারপর আসলো সেই তারিখ দিনটা ছিলো বুধবার
ঘুম থেকে ওঠে দেখি ১০ টা বাজে.. রিতা কে দেখার
জন্য বাইরে বের হলাম তাকিয়ে দেখি রিতার রুমে
তালা ঝুলানো দৌড়ে গেলাম বাসায়..। সেখানে
কিছু লোক কে জিঙ্গাসা করলে তারা যা বলল… তা
শুনে নিজের কান কে বিশ্বাস করতে পারছিলাম
না…
রিতার নাকি ক্যানসার হয়েছে ,,,, অপারেশন করতে
অনেক দূরে নিয়ে গেছে..। কেনো জানি আমার
নিশ্বাস আটকে যাচ্ছে চোখ থেকে টপ টপ করে পানি
পড়ছে আমি তো কাঁদছি না কেনো হচ্ছে এরকম..।
সারাটা শহর তন্য তন্য করে খুজেছি কোথাও পায়নি
আআআমি তো তাকে আমার জীবনের চেয়েও বেশি
ভালোবেসেছিলাম কেনো হলো এরকম..। চিৎকার
দিয়ে কেঁদেছি সেদিন..। আআ আমার রিতা কে
কখনো পায়নি। এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে চোখ
থেকে দুফুটো জল গড়িয়ে পড়লো নিজেও বুঝতে
পারিনি…।
.
রিয়া..>কি হলো কথা বলছেন না যে…।
রাজ..>চোখের কোনে জমে থাকা পানি মুছে
বললাম… কিছু সৃতি ভুলার মতো নয়…।কিন্তু আপনি
কে…..
রিয়া…>আমি তোমার রিতা…
রাজ..>কথাটা শুনে নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম
না…কান্না মাখা মুখটা নিয়ে মুচকি হাসি
দিলাম… কিন্তু আমি কি ভাবে বিশ্বাস করবো
আপনি আমার রিতা….অতপর রিয়া নামে আইডি
থেকে একটা পিক দিলো ..। পিকটা দেখে মনে হলো
আমার নতুন জীবন ফিরে পেলাম…।চলে গেলাম
রিতার বাসার সামনে তাকিয়ে দেখি আমার ফুল
গাছে পানি দিচ্ছে…. চোখ মুছতে মুছতে রিতার
সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম ..। হঠাৎ রিতা চিৎকার
দিয়ে কান্না করে আমাকে জড়িয়ে ধরলো আমিও
চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না..দীর্ঘ ৩। বছর
পড় দেখা..রিয়া আক্তার নামে অপরিচিত একটা আইডি থেকে
মেসেজ আসলো…
রিয়া..> হাই
রাজ..>হ্যালো
রিয়া..>কেমন আছেন..
রাজ..>ভালো..আপনি …
রিয়া..>হুম, ভালো..কি করেন..
রাজ..> শুয়ে শুয়ে ফেবুক চালায়.. আপনি ..
রিয়া..>আপনার সাথে চ্যাট করি..
রাজ..>হুম,গুড.
রিয়া..>চিনতে পারছো..
রাজ..>না তো,,,কে আপনি…
রিয়া..>১১/৩/২০১৫ তারিখটা মনে আছে..
.
>.. তারিখটার কথা শুনে চমকে উঠলাম,, কিছু কথা
মনে পড়লো..।
তখন আমি ঢাকায় ছিলাম। আমি যে বাসায়
থাকতাম তার পাশের বাসায় একটি মেয়ে থাকতো
নাম রিতা। রিতা দেখতে পরীর মতো ছিলো প্রথম
দেখাতেই তাকে ভালোবেসেছিলাম,, কখনো
বলিনি,,, মনের মাঝে তার ছবি একেছিলাম..।
বাসার সামনে ফুলের গাছ ছিলো… একদিন সকালে
ওঠে ফুলের গাছে পানি দিচ্ছিলাম হঠাৎ রিতা এসে
বলল… একটা ফুল দিবেন … আমিও না করতে পারলাম
না,,,, রিতা বেশি কথা বলতো না সব সময় চুপচাপ
থাকতো.। … লাল টকটকে একটা গোলাপ ফুল ছিড়ে
দিলাম রিতা মিষ্টি একটা হাসি দিয়ে চলে
গেলো.। বিকেলবেলা একটু ঘুড়তে বের হবো তখনি
রিতা ডাক দিলো… এই যে শুনছেন… হুম,,,বলেন
শুনছি…
রিতা…>কোথায় যাবেন…
আমি…>একটু ঘুড়তে যাবো…
রিতা …>আমাকে নিয়ে যাবেন…
আমি…>যাবেন আপনি…
রিতা…> হুম..
অতপর দুজন মিলে ঘুড়তে গেলাম রিতা কে ফুচকা
খাওয়ালাম,, ঘুড়া ঘুড়ি শেষ করে রিতা কে বাসার
সামনে দিয়ে বললাম বাসায় যাও..রিতা বলল
আপনার কি ফেবু আইডি আছে…হুম আছে…কিছুদিনের
মধ্যেয় রিতা আর আমি ভালো বন্ধু হয়ে গেলাম..
প্রতিদিন ফুচকা খাওয়া ঘুড়ে বেড়ানে আড্ডা
দেওয়া অনেক মজাই করতাম…।একদিন ভাবলাম
রিতা কে প্রপোজ করবো বিকাল বেলায় গাছ থেকে
একটা বড় গোলাপ ফুল নিয়ে রিতার সামনে হাজির
হলাম বলে দিলাম মনের কথা….. রিতা শুনে খুব
হাসলো তারপর সেও একটি গোলাপ ফুল বের করে
আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল…আমি ও তোমাকে
অনেক ভালোবেসে ফেলছি… সেই শুরু হলো ফনে
কথা বলা… রাত জাগা… খুব কেয়ার করতো আমায়..।
সব চেয়ে বেশি ভালো লাগতো তার পাগলামো
গুলো। কি করতো জানেন প্রতিদিন সকালে আমার
গাছ থেকে ফুল চুরি করতো আর বিকালবেলায় সেই
ফুল আমাকে দিতো…
.
তারপর আসলো সেই তারিখ দিনটা ছিলো বুধবার
ঘুম থেকে ওঠে দেখি ১০ টা বাজে.. রিতা কে দেখার
জন্য বাইরে বের হলাম তাকিয়ে দেখি রিতার রুমে
তালা ঝুলানো দৌড়ে গেলাম বাসায়..। সেখানে
কিছু লোক কে জিঙ্গাসা করলে তারা যা বলল… তা
শুনে নিজের কান কে বিশ্বাস করতে পারছিলাম
না…
রিতার নাকি ক্যানসার হয়েছে ,,,, অপারেশন করতে
অনেক দূরে নিয়ে গেছে..। কেনো জানি আমার
নিশ্বাস আটকে যাচ্ছে চোখ থেকে টপ টপ করে পানি
পড়ছে আমি তো কাঁদছি না কেনো হচ্ছে এরকম..।
সারাটা শহর তন্য তন্য করে খুজেছি কোথাও পায়নি
আআআমি তো তাকে আমার জীবনের চেয়েও বেশি
ভালোবেসেছিলাম কেনো হলো এরকম..। চিৎকার
দিয়ে কেঁদেছি সেদিন..। আআ আমার রিতা কে
কখনো পায়নি। এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে চোখ
থেকে দুফুটো জল গড়িয়ে পড়লো নিজেও বুঝতে
পারিনি…।
.
রিয়া..>কি হলো কথা বলছেন না যে…।
রাজ..>চোখের কোনে জমে থাকা পানি মুছে
বললাম… কিছু সৃতি ভুলার মতো নয়…।কিন্তু আপনি
কে…..
রিয়া…>আমি তোমার রিতা…
রাজ..>কথাটা শুনে নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম
না…কান্না মাখা মুখটা নিয়ে মুচকি হাসি
দিলাম… কিন্তু আমি কি ভাবে বিশ্বাস করবো
আপনি আমার রিতা….অতপর রিয়া নামে আইডি
থেকে একটা পিক দিলো ..। পিকটা দেখে মনে হলো
আমার নতুন জীবন ফিরে পেলাম…।চলে গেলাম
রিতার বাসার সামনে তাকিয়ে দেখি আমার ফুল
গাছে পানি দিচ্ছে…. চোখ মুছতে মুছতে রিতার
সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম ..। হঠাৎ রিতা চিৎকার
দিয়ে কান্না করে আমাকে জড়িয়ে ধরলো আমিও
চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না..দীর্ঘ ৩। বছর
পড় দেখা..

Please Rate This Post
[Total: 2 Average: 2.5]

You may also like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *