Rabindranath Tagore Quotes – Part ( 2 )

image_pdf

1

সময়ের সমুদ্রে আছি,কিন্তু একমুহূর্ত সময় নেই
তোমার অশোকে কিংশুকে,
অলক্ষ্য রঙ লাগল আমার অকারণের সুখে


2

ওগো অকরুণ, কী মায়া জানো, মিলনছলে বিরহ আনো


3

একটা মন আর একটা মনকে খুজিতেছে নিজের ভাবনার ভার নামাইয়া দিবার জন্য,
নিজের মনের ভাবকে অণ্যের মনে ভাবিত করিবার জন্য।


4

যে পুরুষ অসংশয়ে অকুন্ঠিতভাবে নিজেকে প্রচার করিতে পারে সেই সমর্থ পুরুষ সহজেই নারীর দৃষ্টি আর্কষণ করিতে পারে।


5

সাধারণত স্ত্রীজাতি কাঁচা আম,
ঝাল লঙ্কা এবং কড়া স্বামীই ভালোবাসে।
যে দুর্ভাগ্য পুরুষ নিজের স্ত্রীর ভালোবাসা হইতে বঞ্চিত সে –
যে কুশ্রী অথবা নির্ধন তাহা নহে; সে নিতান্ত নিরীহ।


6

ধর্ম যারা সম্পূর্ণ উপলব্ধি না করিয়া প্রচার করিতে চেষ্টা করে তহারা ক্রমশই ধর্মকে জীবন হইতে দূরে ঠেলিয়া থাকে।
ইহারা ধর্মকে বিশেষ গন্ডি আঁকিয়া একটা বিশেষ সীমানার মধ্যে আবদ্ধ করে।


7

রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ।
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক


8

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দূরত্ব কোনটি জানো? নাহ, জীবন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, উত্তরটা সঠিক নয়।
সবচেয়ে বড় দূরত্ব হলো যখন আমি তোমার সামনে থাকি, কিন্তু তুমি জানো না যে আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি।


9

পৃথিবীতে বালিকার প্রথম প্রেমেরমত সর্বগ্রাসী প্রেম আর কিছুই নাই।
প্রথমযৌবনে বালিকা যাকে ভালোবাসে তাহার মত সৌভাগ্যবানও আর কেহই নাই।
যদিও সে প্রেম অধিকাংশ সময় অপ্রকাশিত থেকে যায়,
কিন্তু সে প্রেমের আগুন সব বালিকাকে সারাজীবন পোড়ায়।


10

অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার রাখিতে যাইবার মত এমন বিড়ম্বনা আর না
অলৌকিক আনন্দের ভার,
বিধাতা যাহারে দেন,
তার বক্ষে বেদনা অপার


11

যায় যদি লুপ্ত হয়ে থাকে শুধু থাক এক বিন্দু নয়নের জল
কালের কপোল তলে শুভ্র সমুজ্জ্বল এ তাজমহল


12

মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে।
মধুর মলয়-সমীরে মধুর মিলন রটাতে।
কুহক লেখনী ছুটায়ে কুসুম তুলিছে ফুটায়ে,
লিখিছে প্রণয়-কাহিনী বিবিধ বরন-ছটাতে


13

বিয়ে করলে মানুষকে মেনে নিতে হয়,
তখন আর গড়ে নেবার ফাঁক পাওয়া যায় না


14

আমি তোমাকে অসংখ্য ভাবে ভালবেসেছি,
অসংখ্যবার ভালবেসেছি,
এক জীবনের পর অন্য জীবনেও ভালবেসেছি,
বছরের পর বছর, সর্বদা, সবসময়


15

মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন
অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার ধরিয়া রাখার মত বিড়ম্বনা আর হয় না
কত বড়ো আমি কহে নকল হীরাটি।
তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি


16

যে পথে অনন্ত লোক চলিয়াছে ভীষণ নীরবে
সে পথপ্রান্তের
এক পার্শ্বে রাখো মোরে, নিরখির বিরাট স্বরূপ
যুগযুগান্তের।
শ্যেনসম অকস্মাৎ ছিন্ন করি ঊর্ধ্বে লয়ে যাও
পঙ্ককুণ্ড হতে,
মহান মৃত্যুর সাথে মুখামুখি করে দাও মোরে
বজ্রের আলোতে


17

কী পাইনি তারই হিসাব মেলাতে মন মোর নহে রাজি
যে খ্যাতির সম্বল অল্প তার সমারোহ যতই বেশি হয়,
ততই তার দেউলে হওয়া দ্রুত ঘটে


18

হঠাৎ একদিন পূর্ণিমার রাত্রে জীবনে যখন জোয়ার আসে,
তখন যে একটা বৃহৎ প্রতিজ্ঞা করিয়া বসে জীবনের সুদীর্ঘ ভাটার
সময় সে প্রতিজ্ঞা রক্ষা করিতে তাহার সমস্ত প্রাণে টান পড়ে


19

তুমি যদি না দেখা দাও, কর আমায় হেলা,
কেমন করে কাটে আমার এমন বাদল-বেলা


20

সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে,
সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট
নারী দাসী বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে নারী রাণীও বটে


21

দূরে কোন্‌ শয্যায় একা কোন্‌ ছেলে বংশীর ধ্বনি শুনে


22

আনন্দকে ভাগ করলে দুটি জিনিস পাওয়া যায়;
একটি হচ্ছে জ্ঞান এবং অপরটি হচ্ছে প্রেম


23

কখনো বা চাঁদের আলোতে
কখনো বসন্তসমীরণে
সেই ত্রিভুবনজয়ী, অপাররহস্যময়ী
আনন্দ-মুরতিখানি জেগে ওঠে মনে


24

ভালোবাসা কথাটা বিবাহ কথার চেয়ে আরো বেশি জ্যান্ত
ফাগুনের নবীন আনন্দে গানখানি গাঁথিলাম ছন্দে;
দিল তারে বনবীথি কোকিলের কলগীতি, ভরি দিল বকুলের গন্ধে


25

যখন জীবনের শেষে ফল ফলিবার এবং শস্য পাকিবার সময়


26

শর ভাবে, ছুটে চলি,
আমি তো স্বাধীন,
ধনুকটা একঠাঁই বদ্ধ চিরদিন।
ধনু হেসে বলে,
শর, জান না সে কথা-
আমারি অধীন জেনো তব স্বাধীনতা।


27

ফাগুন, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দানঃ
তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান
আমার আপনহারা প্রাণ;
আমার বাঁধন ছেঁড়া প্রাণ


28

ভয়ের তাড়া খেলেই ধর্মের মূঢ়তার পিছনে মানুষ লুকাতে চেষ্টা করে


29

অতীতকাল যত বড় কালই হ’ক নিজের সম্বন্ধে বর্তমান কালের একটা স্পর্ধা থাকা উচিত।
মনে থাকা উচিত তার মধ্যে জয় করবার শক্তি আছে।


30

ভাবিতেছিলাম উঠি কি না উঠি,
অন্ধ তামস গেছে কিনা ছুটি,
রুদ্ধ নয়ন মেলি কি না মেলি
তন্দ্রা-জড়িমা মাজিয়া।
এমন সময়ে, ঈশান, তোমার
বিষাণ উঠেছে বাজিয়া।


31

আমি বিন্দুমাত্র আলো, মনে হয় তবু
আমি শুধু আছি আর কিছু নাই কভু।
পলক পড়িলে দেখি আড়ালে আমার
তুমি আছ হে অনাদি আদি অন্ধকার!


32

অনুগ্রহ দুঃখ করে, দিই, নাহি পাই। করুণা কহেন, আমি দিই, নাহি চাই।


33

আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।
তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে।
তবু প্রাণ নিত্যধারা, হাসে সূর্য চন্দ্র তারা,
বসন্ত নিকুঞ্জে আসে বিচিত্র রাগে


34

মেয়েদের বুদ্ধি কলম-কাটা ছুরির মতো;
যতই ধার দাওনা কেনো, তাতে বৃহৎ কাজ চলে না
সমাজ সংসার মিছে সব,
মিছে এ জীবনের কলরব।
কেবলই আঁখি দিয়ে আঁখির সুধা পিয়ে
হৃদয় দিয়ে হৃদি অনুভব –
আঁধারে মিশে গেছে আর সব


35

বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান


36

নরমাংসের স্বাদ পাইলে মানুষের সম্বন্ধে বাঘের যে দশা হয়,
স্ত্রীর সম্বন্ধে তাহার ভাবটা সেইরূপ হইয়া উঠে


37

হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ!
ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল,
তপঃক্লিষ্ট তপ্ত তনু, মুখে তুলি বিষাণ ভয়াল
কারে দাও ডাক
হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ!


38

নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস।
নদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে; কহে, যাহা কিছু সুখ সকলি ওপারে।


39

পাপকে ঠেকাবার জন্য কিছু না করাই তো পাপ।


40

অপর ব্যাক্তির কোলে পিঠে চড়িয়া অগ্রসর হওয়ার কোন মাহাত্ম্য নাই –
কারণ চলিবার শক্তিলাভই যথার্থ লাভ,
অগ্রসর হওয়া মাত্র লাভ নহে


41

প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন


42

যে ধর্মের নামে বিদ্বেষ সঞ্চিত করে, ঈশ্বরের অর্ঘ্য হতে সে হয় বঞ্চিত।


43

যৌবনের শেষে শুভ্র শৎরকালের ন্যায় একটি গভীর প্রশান্ত প্রগাঢ় সুন্দর বয়স আসে


44

নিজের অজ্ঞতা সম্বন্ধে অজ্ঞানতার মতো অজ্ঞান আর তো কিছু নাই


45

অক্ষমের লোভ আলাদিনের প্রদিপের গুজব শুনলেই লাফিয়া অঠে


Rabindranath Tagore More Quotes:

Be the first to reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *